বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

বর্ণ প্রথা সম্পর্কে

 বর্ণ প্রথা সম্পর্কে পোস্ট।

ব্রাহ্মণ কে?
👉 যে ঈশ্বরের প্রতি গভীরভাবে অনুরক্ত,অহিংস,সৎ,নিষ্ঠাবান,সুশৃঙ্খল,বেদপ্রচারী,বেদজ্ঞানী সেই ব্রাহ্মণ।
--------------------------------(ঋগবেদ-৭.১০৩.৮)
ক্ষত্রিয় কে?
👉 দৃঢ়ভাবে আচার পালনকারী,সৎকর্মের দ্বারা শুদ্ধ,রাজনৈতিক জ্ঞান সম্পন্ন,অহিংস,ঈশ্বর সাধক,সত্যের ধারক,ন্যায় পরায়ণ,বিদ্বেষমুক্ত,ধর্মযোদ্ধা, অসৎ এর বিনাশকারী সে ক্ষত্রিয়।
-------------------------------(ঋগবেদ-১.৬৬.৮)
বৈশ্য কে?
👉 দক্ষ ব্যবসায়ী, দানশীল,চাকুরীরত এবং চাকুরী প্রদানকারী।
------------------------------(অর্থববেদ-৩.১৫.১)
শূদ্র কে?
👉 যে অদম্য পরিশ্রমী, অক্লান্ত জরা যাকে সহজে গ্রাস করতে পারে না,লোভমুক্ত কষ্টসহিষ্ণু সেই শূদ্র।
----------------------------(ঋগবেদ-১০.৯৪.১১)
জন্ম যেখানেই হোক কর্মছাড়া বা যোগ্যতা ছাড়া কেউ নিজের উচ্চ আসনের অধিকারী হতে পারে বা। যেমন ---
(ক)প্রীষধ ছিলেন রাজা দক্ষের পুত্র,যিনি পরে শূদ্র হয়েছেন।তিনি তপস্যা দ্বারা মোক্ষ লাভ করেন।(বিষ্ণু পুরাণ ৪.১.১৪)
(খ)নবগরাজা নেদিস্থের পুত্র পরিণত হন বৈশ্যে।তার অনেক পুত্র হয়ে যান ক্ষত্রিয়। (বিষ্ণু পুরাণ ৪.১.১৩)
অজ্যেষ্ঠাসো অকনিষ্ঠাস এতে সং ভ্রাতারো তাবৃধুঃ সৌভগয় যুবা পিতা স্বপারুদ্র এযাং সুদুঘা পুশ্নিঃ সুদিনা মরুদ্ভ।। (ঋগবেদ-৫.৬০.৫)
অনুবাদ: কর্ম ও গুণভেদে কেউ ব্রাহ্মণ, কেউ ক্ষত্রিয়, কেউ বৈশ্য,কেউ শূদ্র।তাদের মধ্যে কেহ বড় নয়, কেহ ছোট নয়।ইহারা সকলে ভাই ভাই।সৌভাগ্য এবং জননীরুপ।পুরুষার্থী সন্তানই সৌভাগ্য প্রাপ্ত হন।সুতরাং জন্ম নয় বরং গুণ ও কর্ম অনুসারে বর্ণ নির্বাচন হয়।
No photo description available.